প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ০১, ২০২৬, ৪:২৮ এ.এম
শিক্ষাঙ্গনে সিফার শূন্য আসনে ফুল রাখা হয়েছে
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
গত বৃহস্পতিবার রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা এলাকায় মা ও তাঁর তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনায় শোকাতুর পুরো জেলা। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। যদিও অভিযুক্ত অন্তর মজুমদারকে গণপিটুনিতে হত্যার ফলে মূল রহস্য উদ্ঘাটন নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। হত্যাকাণ্ডের শিকার ১০ বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার সিফার মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না তার সহপাঠীরা। রায়পুর মার্চেন্টস একাডেমি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর আসনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে তার বন্ধুরা। ক্লাসে সিফার শূন্য আসনটি যেন এলাকাবাসী ও সহপাঠীদের হৃদয়ে এক গভীর ক্ষত তৈরি করেছে। শিক্ষকদের কণ্ঠেও এখন কেবলই সিফার স্মৃতি আর তার মেধাবী সত্তার কথা। নিহতদের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় হলেও তারা দীর্ঘদিন ধরে রায়পুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। মা শাহিনুর বেগম (৪০) এবং তাঁর তিন মেয়ে সাইমা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ও ফাতেমা আক্তার সিফাকে কী কারণে এভাবে প্রাণ দিতে হলো, তা নিয়ে এখনো অন্ধকারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা অভিযুক্ত অন্তর মজুমদারকে (২৮) আটক করে গণপিটুনি দেয়, যার ফলে পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এলাকাবাসীর প্রশ্ন, অন্তর মজুমদার কি একাই এই ঘটনার সাথে জড়িত, নাকি এর পেছনে আরও কেউ আছে? ঘটনার মূল মোটিভ বা কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এমন নৃশংস ও পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড যেন আর না ঘটে, সেজন্য নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন নিহত পরিবারের আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more