জামালপুরে ৫৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত
Date: 2026-07-25
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ২৫, ২০২৬, ৩:৫৯ এ.এম
জামালপুরে ৫৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
জামালপুর জেলায় প্রধান শিক্ষকের দীর্ঘমেয়াদি শূন্যতার কারণে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলার মোট ১ হাজার ১৬৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৪৬ শতাংশ বা ৫৪০টি বিদ্যালয়েই কোনো স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। এর ফলে একদিকে যেমন বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন।
ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পাঠদান ছাড়াও বিদ্যালয়ের দাপ্তরিক নথিপত্র সংরক্ষণ, সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন, হিসাব-নিকাশ এবং নানা ধরনের প্রতিবেদন তৈরির মতো প্রশাসনিক কাজগুলো একজন শিক্ষকের পক্ষে একসঙ্গে সামলানো অত্যন্ত দুরূহ। এর ফলে ক্লাসে নিয়মিত পাঠদানের জন্য পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। এছাড়া কিছু বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদও খালি থাকায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে।
তবে এই সংকট নিরসনে আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ জানান, পূর্বে বিদ্যালয় জাতীয়করণের পর প্রধান শিক্ষক পদ নিয়ে কিছু আইনি বা হাইকোর্টে মামলা থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমানে সেই মামলাগুলোর সমাধান হওয়ায় আইনি জটিলতা কেটে গেছে এবং খুব দ্রুত শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর জেলায় প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত ১ হাজার ১৬৪টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৬২৪ জন। প্রধান শিক্ষক না থাকা বিদ্যালয়গুলোতে কোথাও সহকারী শিক্ষক আবার কোথাও ভারপ্রাপ্ত হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে চরম হিমশিম খাচ্ছেন শিক্ষকরা। উদাহরণস্বরূপ—পুলিশ লাইনস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হলেও এক যুগ ধরে সেখানে কোনো স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পাননি। একই দশা জেলার সদর উপজেলার খুপীবাড়ী, চালাপাড়া, তীর্থ সত্যপীর, বকশীগঞ্জ উপজেলার জিনিয়া উমর এবং মাদারগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নাংলাসহ শত শত বিদ্যালয়ের।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more