প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: জুলাই ০৪, ২০২৬, ১২:৩১ পি.এম
গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান
অ-অ+
অনলাইন
ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (০৪ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার অবশ্যই এ দেশের মাটিতে হবে। তবে কোনো অবস্থাতেই যেন বিচারের নামে কারও প্রতি অবিচার না করা হয়, সেদিকে সরকার কঠোর নজর রাখছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রকৃত অপরাধীদের সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে কিছুটা সময় লাগলেও সরকার কোনো তড়িঘড়ি বা অন্যায়ের আশ্রয় নেবে না। ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক অর্জনকে কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়, বরং দেশের প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত ত্যাগের ফসল হিসেবে বর্ণনা করেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, “জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন ও পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন। জাতিকে বিভক্ত করে কখনো দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।” শহীদ ও আহত পরিবারগুলোর মূল্যায়ন এবং পুর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন করাকে সরকারের ‘পবিত্র দায়িত্ব’ হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েক শ জুলাইযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাঁদের আবেগ ও কষ্টের কথা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শহীদ পরিবারের হাতে বিশেষ স্মৃতি স্মারক তুলে দেন এবং পরে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকেও তাঁকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ এই সম্মেলনে অংশ নেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া-মোনাজাত ও জুলাই অভ্যুত্থানের ওপর একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more