সিটি নির্বাচনে মুখোমুখি ১১ দল: পৃথক লড়াইয়েও রাজপথে ঐক্য
Date: 2026-09-12
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬, ৪:৫৩ এ.এম
সিটি নির্বাচনে মুখোমুখি ১১ দল: পৃথক লড়াইয়েও রাজপথে ঐক্য
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একসঙ্গে অংশ নিলেও আসন্ন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচনে আলাদাভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১১-দলীয় রাজনৈতিক ঐক্য। নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের বাধ্যবাধকতা না থাকা এবং স্থানীয় পর্যায়ের নিজস্ব বাস্তবতার কথা বিবেচনা করেই এই সমঝোতাহীন লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছে দলগুলো। ফলে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ দুই সিটিতেই জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) কোনো প্রকার ছাড় না দিয়ে নিজেদের আলাদা মেয়র প্রার্থী দাঁড় করাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে ঢাকা বা দেশের অন্যান্য স্থানীয় নির্বাচনে পরস্পরের মুখোমুখি হলেও, সরকারবিরোধী আন্দোলন বা জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দাবিতে রাজপথের জোটবদ্ধ কর্মসূচি ও রাজনৈতিক ঐক্য ধরে রাখার বিষয়ে একমত প্রকাশ করেছেন শরিক দলের শীর্ষ নেতারা।
মনোনয়ন প্রস্তুতির দিক থেকে জামায়াতে ইসলামী ইতিমধ্যেই ঢাকা উত্তরে মহানগর আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণে ডাকসুর সাবেক ভিপি মো. আবু সাদিককে (সাদিক কায়েম) প্রাথমিকভাবে মেয়র পদে মাঠে নামিয়েছে, যাদের সমর্থনে প্রচারণাও শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, এনসিপির পক্ষে ঢাকা উত্তরে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং দক্ষিণে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচন করবেন বলে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ঐক্যের অন্য দুই শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টিও ঢাকার দুই সিটিতে প্রার্থী দেওয়ার সার্বিক প্রস্তুতি নিচ্ছি। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিলেও প্রেসিডিয়াম বৈঠকের পর দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করবে বলে জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো ধরনের আসন কিংবা এলাকাভিত্তিক ছাড় না থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ে শরিক দলগুলো যদি নিজেদের মধ্যে কোনো একক প্রার্থীর বিষয়ে আলোচনা বা সমঝোতায় পৌঁছায়, তবে তাতে কেন্দ্রীয় কমান্ডের কোনো বাধা থাকবে না। জামায়াত ও এনসিপির দায়িত্বশীলদের মতে, প্রতীকহীন নির্বাচনে দলীয় ব্যানারের চেয়ে ব্যক্তির পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতাই বেশি প্রাধান্য পাবে। তাই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও শরিক প্রার্থীরা যেন কোনো সংঘাতময় পরিস্থিতিতে না জড়ান, সেদিকে নজর রাখা হবে। একই সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন কিংবা গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের মতো জাতীয় ইস্যুতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নির্বাচনে কোনো ধরনের সরকারি বা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ হলে যৌথভাবেই তা প্রতিরোধের অঙ্গীকার করা হয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more