রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনায় বিশেষ পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। গত ১১ অক্টোবর (রোববার) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই পরিদর্শন চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত। রোববার সকালে রূপপুর প্রকল্পের প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মিলনায়তনে আয়োজিত একটি বিশেষ সভার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের সূচনা হয়। সভায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসান, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও প্রতিনিধিবৃন্দ এবং ভিও-সেফটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সাত দিনব্যাপী এই পরিদর্শনে ইউনিট-১-এর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে পরিচালনাগত প্রস্তুতি, কারিগরি সক্ষমতা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির সঠিক পরিচালনা, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং সার্বিক নিরাপত্তার কঠোর বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বায়েরার কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি এসব বিষয় মূল্যায়ন করবেন। পরিদর্শন শেষে প্রাপ্ত পর্যবেক্ষণ ও রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী ধাপের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক অনুমোদন সম্পন্ন করা হবে বলে প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, পরিদর্শন শুরুর দিন রোববার বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সফলভাবে রিঅ্যাক্টর ক্রিটিক্যালিটি অর্জন করে। এর ফলে ইউনিটটিতে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক শৃঙ্খল বিক্রিয়া (চেইন রিঅ্যাকশন) শুরু করার একটি বড় ধাপ বাস্তবায়িত হলো। এখন ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর প্রস্তুতি চলছে এবং বায়েরার এই তদারকিকে প্রকল্পের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জায়েদুল হাসান নিশ্চিত করেছেন যে, কমিশনিং কার্যক্রমে নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে এবং সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া বায়েরার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট নিয়মে সম্পন্ন করা হবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more