অনলাইন ডেস্ক:
ডায়াবেটিস মানেই জীবন থেকে মিষ্টি পুরোপুরি বাদ দিয়ে দেওয়া নয়, বরং একটু সচেতন হয়ে মিষ্টি খাচ্ছেন—এই দুটি বিষয়ে কৌশল অবলম্বন করলেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, খালি পেটে সরাসরি মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে ব্লাড সুগার হঠাৎ করে অনেক বেড়ে যায়। এই ঝুঁকি এড়াতে খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক ক্রম বা ‘ফুড সিকোয়েন্সিং’ মেনে চলা উচিত। অর্থাৎ, যেকোনো প্রধান খাবারের শুরুতে প্রথমে শাকসবজি বা সালাদ (ফাইবার) এবং এরপর মাছ, মাংস বা ডিমের (প্রোটিন ও ফ্যাট) মতো পুষ্টিকর উপাদানগুলো খাওয়া উচিত। সবার শেষে মিষ্টি বা ডেজার্ট খেলে ততক্ষণে পাকস্থলীতে তৈরি হওয়া সুরক্ষাকবচের কারণে শরীরে চিনি শোষণের গতি অনেকটাই কমে আসে।
এর পাশাপাশি শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ মেনে মিষ্টি খাওয়ার সময় নির্ধারণ করাও সমান জরুরি। সাধারণত সকালের দিকে মানবশরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা অনেক বেশি থাকে, ফলে দিনের প্রথমার্ধে মিষ্টিজাতীয় কিছু খেলে শরীর সেটি সহজে হজম করতে পারে। পক্ষান্তরে, বিকালের পর বা রাতের দিকে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যায় বলে এ সময়ে মিষ্টি খেলে রাতে হঠাৎ সুগার বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই মিষ্টির তীব্র আকাঙ্ক্ষা কমাতে সাদা চিনির তৈরি ডেজার্টের পরিবর্তে খেজুর, মিষ্টি ফল, টকদই, চিয়াসিডের পুডিং কিংবা ডার্ক চকোলেটের মতো প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর উৎস বেছে নেওয়া ভালো। এই সাধারণ নিয়মগুলো শুধু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যই নয়, বরং যাদের প্রি-ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কিংবা পলিসিস্টিক ওভারি (PCOS)-এর সমস্যা রয়েছে, তাদের সবার জন্যই অত্যন্ত কার্যকরী।
এর পাশাপাশি শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’ মেনে মিষ্টি খাওয়ার সময় নির্ধারণ করাও সমান জরুরি। সাধারণত সকালের দিকে মানবশরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা অনেক বেশি থাকে, ফলে দিনের প্রথমার্ধে মিষ্টিজাতীয় কিছু খেলে শরীর সেটি সহজে হজম করতে পারে। পক্ষান্তরে, বিকালের পর বা রাতের দিকে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যায় বলে এ সময়ে মিষ্টি খেলে রাতে হঠাৎ সুগার বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই মিষ্টির তীব্র আকাঙ্ক্ষা কমাতে সাদা চিনির তৈরি ডেজার্টের পরিবর্তে খেজুর, মিষ্টি ফল, টকদই, চিয়াসিডের পুডিং কিংবা ডার্ক চকোলেটের মতো প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যকর উৎস বেছে নেওয়া ভালো। এই সাধারণ নিয়মগুলো শুধু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যই নয়, বরং যাদের প্রি-ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কিংবা পলিসিস্টিক ওভারি (PCOS)-এর সমস্যা রয়েছে, তাদের সবার জন্যই অত্যন্ত কার্যকরী।
তথ্য: ইত্তেফাক/ বিডিফেস
মেহেদী হাসান