আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের দুর্নীতি অনুসন্ধান: প্রমাণ প্রকাশের দাবি
Date: 2026-09-14
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ১:০২ পি.এম
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের দুর্নীতি অনুসন্ধান: প্রমাণ প্রকাশের দাবি
অ-অ+
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে দুদকের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
দুদকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি–সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। অন্য তিনজন হলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
দুদক জানিয়েছে, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নের আদেশ করিয়ে ৭৬ লাখ টাকা নেওয়া এবং ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য দেড় কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পদোন্নতির পর পছন্দের কর্মস্থলে পদায়নের জন্য আরও অর্থ নেওয়ার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে।
অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদক চার সদস্যের একটি দল গঠন করেছে। উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে দলটি কাজ করছে। এরই মধ্যে আসিফ মাহমুদের দায়িত্ব পালনকালের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি–সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি চাওয়া হয়েছে। ‘অভিযোগের প্রমাণ প্রকাশ করুন’ তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুদকের কাছে অভিযোগের প্রমাণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।
২ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানি ও ভয় দেখানোর প্রক্রিয়ার অংশ। তিনি অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ জনসম্মুখে প্রকাশের আহ্বান জানান।
পরে ৯ সেপ্টেম্বর দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান বলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো ভুক্তভোগী বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে পারেন এবং আইনগত প্রতিকার চাইতে পারেন।
দুদকের অনুসন্ধান এখনো চলমান। ফলে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত নথি, আর্থিক লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাইয়ের পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more