ইসলাম ডেক্স: লজ্জা ও শালীনতা এমন গুণ, যা আদম (আ.)
থেকে শুরু করে সব নবী-রাসুল (আ.) ও আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের মধ্যেই রয়েছে। ইসলামসহ
পূর্ববর্তী সব শরিয়তে লজ্জাকে উচ্চ মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। হাদিসে স্পষ্টভাবে বলা
হয়েছে-লজ্জা ঈমানের একটি অংশ। সহিহ বুখারিতে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ
(সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমার লজ্জা নেই, তখন তুমি যা ইচ্ছা তা-ই করো।’ (হাদিস : ৩৪৮৪) মুমিনের লজ্জা ছয় প্রকার- ইসলামি দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী মুমিনের লজ্জা
ছয় ধরনের হতে পারে- গুনাহ করলে লজ্জা- কোনো ভুল বা পাপ হয়ে গেলে মুমিন লজ্জা
বোধ করে। আদম (আ.) নিষিদ্ধ কাজ করার পর আল্লাহর সামনে লজ্জায় আড়ালে চলে গিয়েছিলেন। কথা বা কাজে ত্রুটি হলে লজ্জা- কথা বা কাজে ভুল হলে তার জন্য অনুতাপ
করা ও লজ্জিত হওয়া ঈমানের দাবি। যেমন-কাউকে সময় দিলে অথচ সময়মতো না পৌঁছালে, প্রতিশ্রুতি
পূরণ না করলে লজ্জা থাকা উচিত। ব্যক্তিত্বজনিত লজ্জা- কখনও ব্যক্তিত্বই লজ্জার কারণ হয়। যেমন-জয়নব
(রা.)-এর সঙ্গে বিবাহ উপলক্ষে ওলিমায় কিছু লোক বেশি সময় বসে থাকলেও নবীজি (সা.) লজ্জায়
তাদের কিছু বলেননি। পরে আল্লাহর পক্ষ থেকে আয়াত নাজিল হয় অতিথিদের দ্রুত চলে যাওয়ার
নির্দেশ নিয়ে (সুরা আহজাব : ৫৩)। সহজাত লজ্জা- মানুষের স্বভাবগত লজ্জা। যেমন-দাম্পত্য
জীবনের ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ করতে সংকোচ। আলী (রা.) ব্যক্তিগত এক প্রশ্ন সরাসরি করতে
সংকোচ বোধ করায় অন্য সাহাবির মাধ্যমে সমাধান জেনেছিলেন। সমীহ বা শ্রদ্ধাজনিত লজ্জা- বড়কে সম্মান করার কারণে লজ্জা অনুভূত
হয়। যেমন-ইসরাফিল (আ.) আল্লাহর নির্দেশের অপেক্ষায় সিংগা হাতে বিনম্র অবস্থায় থাকেন। ছোট মনে করার কারণে লজ্জা- কোনো বিষয়কে খুব ছোট মনে হলে তা চাইতে
সংকোচ হয়। এক ব্যক্তি মুসা (আ.)-কে বলেছিলেন-লবণের মতো ছোট জিনিস আল্লাহর কাছে চাইতে
তার লজ্জা লাগে। অথচ ইসলাম শেখায়-ছাগলের ঘাস পর্যন্ত আল্লাহর কাছে চাইতে হবে, যাতে
বান্দার সঙ্গে আল্লাহর সম্পর্ক দৃঢ় হয়। তথ্যসূত্র বিডিপ্রতিদিন
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more