ইরানের নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের তুলনায় ১৩ গুণ দ্রুতগতির
Date: 2026-03-16
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক: ইরানের প্রতিরক্ষা
বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো সেজ্জিলু২
ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইরানের গণমাধ্যমের দাবি, নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্র নামে পরিচিত
এই অস্ত্রটি শব্দের গতির তুলনায় প্রায় ১৩ গুণ দ্রুতগতির। রোববার (১৬ মার্চ) ইরানের
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, এদিন প্রথমবারের মতো সেজ্জিলু২
ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। একই দিনে ইরানুযুক্তরাষ্ট্রুইসরায়েল উত্তেজনার ১৬তম
দিন চলছে বলে উল্লেখ করা হয়। সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রকে
কখনও সাজ্জিল বা আশুরা নামেও ডাকা হয়। এটি ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি শক্তিশালী
মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার
দূর পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। দুই ধাপবিশিষ্ট এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায়
৭০০ কেজি পর্যন্ত বিস্ফোরক বহন করতে পারে। সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রে
তরল জ্বালানির বদলে সলিড জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আকাশপথে উচ্চতায় পৌঁছে গতিপথ
পরিবর্তনের সক্ষমতা থাকায় একে ‘ড্যান্সিং মিসাইল’ বা নৃত্যরত ক্ষেপণাস্ত্রও বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য
অনুযায়ী, সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮ মিটার, ব্যাস ১ দশমিক ২৫ মিটার এবং
মোট ওজন প্রায় ১২ হাজার ৬০০ কেজি। গত শতকের নব্বইয়ের
দশকে ইরান এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ শুরু করে এবং ২০০৮ সালে তা সম্পন্ন হয়। একই বছর
প্রথমবার পরীক্ষামূলকভাবে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। সেজ্জিল ক্ষেপণাস্ত্রের
দুটি সংস্করণ রয়েছে—সেজ্জিলু১ ও সেজ্জ্জিলু২। এর মধ্যে সেজ্জিলু১ স্বল্প পাল্লার এবং
সেজ্জিলু২ মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র। সর্বশেষ নিক্ষেপে সেজ্জিলু২ সংস্করণ ব্যবহার
করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তথ্যসূত্র:
বিডিপ্রতিদিন বিডিফেস
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more