প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ০২, ২০২৬, ১:৪৩ এ.এম
গাজী টায়ার্স: অগ্নিকাণ্ডে কারখানা বন্ধ
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
আট বছর কাজ করার পর চাকরি হারিয়ে শেরপুরের ইপন এখন গ্রামে পৈত্রিক জমিতে কাজ করছেন, আর শরীয়তপুরের রহমত আলী অনিশ্চয়তা নিয়ে উঁকি দিচ্ছেন কারখানার ফটকে। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গাজী গ্রুপের দুটি কারখানায় দফায় দফায় হামলা, লুটপাট ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটে। এর ফলে কারখানা দুটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় এবং ৭ হাজার ২৩০ জনেরও বেশি শ্রমিক ও দিনমজুরের জীবনযাত্রায় নেমে আসে চরম বিপর্যয়। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ১৮২ জনেরও কোনো সন্ধান মেলেনি।
কারখানা বন্ধের ফলে শুধু কর্মীরাই বিপদে পড়েননি, বরং ধ্বংসের মুখে পড়েছে রূপসী বাজারসহ আশপাশের স্থানীয় অর্থনীতি। ক্রেতার অভাবে স্থানীয় দোকানপাট বন্ধ হচ্ছে, আর কম উপার্জনে দিন কাটাচ্ছেন রিকশাচালকরা।
একসময় দেশের টায়ারের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ পূরণ করা গাজীর অনুপস্থিতিতে বাজার এখন মেঘনা, আরএফএল, আকিজ ও যমুনার মতো অন্যান্য ব্র্যান্ডের দখলে চলে গেছে। দুই হাজার কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া গাজী গ্রুপ কারখানা পুনারম্ভের চেষ্টা চালালেও ইন্সুরেন্স জটিলতা এবং মালিকপক্ষের আইনি ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more