এশিয়ার 'নোবেল' র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান
Date: 2026-08-31
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ৩:৫৮ এ.এম
এশিয়ার 'নোবেল' র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
মর্যাদাপূর্ণ র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা 'ফ্রেন্ডশিপ'-এর প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। এশিয়ার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা এবং 'এশিয়ার নোবেল' হিসেবে খ্যাত এই পুরস্কার পাওয়ার মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য নতুন গৌরব বয়ে আনলেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে ‘র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন’ ২০২৬ সালের পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে তার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে। ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের ১১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিজয়ী হিসেবে রুনা খানের নাম প্রকাশ করা হয়।
পুরস্কার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ফিলিপাইনের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ম্যাগসাইসাইয়ের চিরন্তন মূল্যবোধ, নেতৃত্ব ও জনসেবামূলক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটিয়েছেন রুনা খান। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সেবায় আত্মনিয়োগ, পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি এবং মানুষকে স্বাবলম্বী করে নিজস্ব ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়তার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননায় নির্বাচিত করা হয়েছে।
প্রতি বছর ৩১ আগস্ট ফিলিপাইনের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট র্যামন ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিনে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন এই দূরদর্শী নেতা। তার স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে একই বছর গঠিত হয় র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন এবং ১৯৫৮ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। এ বছর ৬৮তম র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের পর্দা উঠল। ঘোষণার পর আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার ঐতিহাসিক মেট্রোপলিটন থিয়েটারে জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে রুনা খানের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মোট ছয়টি সুনির্দিষ্ট শ্রেণিতে (সরকারি সেবা, জনসেবা, সামাজিক নেতৃত্ব, সাংবাদিকতা-সাহিত্য-সৃজনশীল যোগাযোগকলা, শান্তি ও আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া এবং উদীয়মান নেতৃত্ব) এই পুরস্কার দেওয়া হতো। তবে ২০০৯ সাল থেকে ক্যাটাগরি প্রথা শিথিল করে সার্বিক সমাজকল্যাণমূলক ও দূরদর্শী অবদানের ভিত্তিতে এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। রুনা খানের এই বিশ্বজয়ী অর্জন বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন ক্ষেত্রে এক বিশাল মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more