প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ
অক্টোবর ১০, ২০২৬, ৫:১৬ এ.এম
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ১০, ২০২৬, ৫:১৬ এ.এম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ
অ-অ+
অনলাইন ডেস্ক:
রাজধানীর অতিগুরুত্বপূর্ণ এলাকা তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একটি ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলেও অন্যটি অবিস্ফোরিত থেকে যায়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিট অবিস্ফোরিত ককটেলটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেছে। ঘটনাটিতে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সন্দেহে দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে গ্রেপ্তারে জৌলুসপূর্ণ ও ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত প্রায় সোয়া ১টার দিকে (১টা ১৫ মিনিট) আগারগাঁও লিংক রোড হয়ে একটি মোটরসাইকেলে দুই তরুণ বা ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের সড়কে আসেন। তারা সেখানে প্রায় দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান নিয়ে চারপাশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও রিকনিস্যান্স সম্পন্ন করেন। সুযোগ বুঝে তারা দ্রুত পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে স্থান ত্যাগ করেন। ককটেল দুটি নিক্ষেপের পর একটি ককটেল সাথে সাথেই বিস্ফোরিত হয় এবং বিকট শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে। ঘটনার পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত মোটরসাইকেল চালিয়ে আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে পালিয়ে যায় বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে ডিএমপির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এবং তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়। তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সড়কে পড়ে থাকা দ্বিতীয় ককটেলটি সনাক্ত করে বিশেষ প্রক্রিয়ায় তা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করে। এতে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান সাংবাদিকদের সার্বিক পরিস্থিতি অবহিত করেন। তিনি জানান, গভীর রাতে আশেপাশের দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে সব সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তবে সকাল থেকে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু করা হয়েছে।
ডিসি ইবনে মিজান আরও উল্লেখ করেন যে, অপরাধীরা পুলিশের মূল সড়ককেন্দ্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে চলার জন্য বিকল্প গলি বা পথ ব্যবহার করে পালিয়েছে। পুরো বিষয়টিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অত্যন্ত গুরুতর ও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেখছে। অপরাধীদের সুনির্দিষ্টভাবে সনাক্তকরণ ও গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত ডিএমপির বিশেষ টিম ও একাধিক দল নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more