নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, দুইজনের কারাদণ্ড; মুচলেকায় হস্তান্তর দুইজন
অক্টোবর ১০, ২০২৬, ৭:২৭ এ.এম
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: অক্টোবর ১০, ২০২৬, ৭:২৭ এ.এম
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, দুইজনের কারাদণ্ড; মুচলেকায় হস্তান্তর দুইজন
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের অভিযোগে পটুয়াখালীর বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁদের মধ্যে দুজনকে ২০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর দুজন কিশোর হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বাউফল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের চরলক্ষীবর্ধন গ্রামের মো. মামুন ইসলাম (২৩), মো. কামাল হোসেন (২৫), মো. রবিউল মৃধা (১৩) ও মো. মোহাম্মদ খান (১৫)।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহমুদ বুলবুল জানান, আটক চারজনের মধ্যে দুজনকে ২০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর দুজন কিশোর হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আইনি বিধান: ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সরকার ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ২২ দিনের জন্য সারা দেশে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এ নিষেধাজ্ঞা মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০-এর অধীন প্রণীত মৎস্য বিধিমালা, ১৯৮৫-এর ১৩ বিধি অনুসারে কার্যকর করা হয়েছে।
মৎস্য সংরক্ষণ ও সুরক্ষা আইন, ১৯৫০-এর ৫(১) ধারায় আইনের ৩ ধারার অধীন প্রণীত বিধি বা ৪ ধারার অধীন জারি করা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more