মসজিদভিত্তিক শিক্ষা প্রকল্প রাজস্ব খাতে নেওয়ার দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
Date: 2026-05-18
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী)
প্রতিনিধি: ইসলামিক ফাউন্ডেশন
পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার
ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের
দাবি জানানো হয়েছে। রোববার (১৮
মে) মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ এর ব্যানারে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার
(ইউএনও) মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিতে
উল্লেখ করা হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম
প্রকল্পটি ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে চালু হয়। প্রতিষ্ঠার
পর থেকে প্রকল্পটি দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধ গঠন এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এতে আরও বলা
হয়, প্রকল্পটি ইতোমধ্যে সাতটি পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন করে বর্তমানে অষ্টম পর্যায়ে কার্যক্রম
পরিচালনা করছে। প্রথম থেকে ষষ্ঠ পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখের বেশি শিক্ষার্থী
এবং সপ্তম পর্যায়ে প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে
এই প্রকল্পে প্রায় ৭১ হাজারের বেশি শিক্ষক, শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত থাকলেও তারা
দীর্ঘদিন ধরে স্বল্প ভাতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন বলে দাবি করা হয়। স্মারকলিপিতে
আরও উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পের শিক্ষকরা শুধু পাঠদান নয়, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, মাদক
ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, টিকাদান কর্মসূচিতে সহায়তা, যাকাত বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণসহ সরকারের
বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। আবেদনে প্রকল্পটিকে
দ্রুত রাজস্ব খাতে স্থানান্তর, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণ এবং
সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের দাবি জানানো হয়। স্মারকলিপিতে
স্বাক্ষর করেন মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ, বাউফল শাখার সভাপতি মো. আবুল হোসেন।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more