অনলাইন ডেক্স: সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে
হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ই-৩ সেন্ট্রি রাডার বিমান ধ্বংস হয়েছে
বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের
ক্ষয়ক্ষতি যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব
ফেলতে পারে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন
প্রকাশিত ও ভূ-স্থানিক বিশ্লেষণ করা ছবিতে দেখা যায়, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান
ঘাঁটিতে বিধ্বস্ত বিমানটির লেজ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে আছে এবং এর বিশেষ ঘূর্ণায়মান রাডার
ডোম মাটিতে পড়ে রয়েছে। এই ডোমটি এয়ারবোর্ন
ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম মূল উপাদান, যা আকাশপথে দূরপাল্লার নজরদারিতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখে। সিএনএন সামরিক বিশ্লেষক
ও যুক্তরাষ্ট্র বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা সাবেক কর্নেল সেড্রিক লেটন এই ঘটনাকে
যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি সক্ষমতার ওপর একটি বড় ধাক্কা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে,
এর ফলে যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ, লক্ষ্য নির্ধারণ এবং শত্রুপক্ষের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র
থেকে সুরক্ষা দেওয়ার মতো কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে। যদিও এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে
ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক
প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অ্যাওয়াকস প্রযুক্তি আকাশপথে বিশাল এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে
সক্ষম এবং বহু দশক ধরে এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে
বিবেচিত হয়ে আসছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বহরে থাকা ই-৩ সেন্ট্রি বিমানগুলোকে দীর্ঘদিন
ধরে কৌশলগত সুবিধা হিসেবে দেখা হয়। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটির ছবি ছড়িয়ে পড়ে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে
নিশ্চিত করা হয়েছে যে বিমানটি ওই ঘাঁটিতেই অবস্থান করছিল। এর আগে একই ঘাঁটিতে হামলায়
বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও প্রাণহানির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more