বাউফল সাধারণ পাঠাগার পরিদর্শনে ইউএনও, চালুর উদ্যোগ
নভেম্বর ০১, ২০২৬, ১০:২৭ এ.এম
প্রিন্ট এর তারিখ: ||প্রকাশের তারিখ: নভেম্বর ০১, ২০২৬, ১০:২৭ এ.এম
বাউফল সাধারণ পাঠাগার পরিদর্শনে ইউএনও, চালুর উদ্যোগ
অ-অ+
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
পটুয়ালীর বাউফল উপজেলা সদরের পাবলিক মাঠসংলগ্ন সাধারণ পাঠাগারটি উদ্বোধনের প্রায় দুই বছর পরও চালু না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর এবার পাঠাগারটি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে পাঠাগারটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ।
পরিদর্শনকালে তিনি পাঠাগারটি দ্রুত পাঠকদের জন্য উন্মুক্ত করার পাশাপাশি এর আশপাশের পরিবেশ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগের কথা জানান। পাঠাগারের পাশে ‘ভালোবাসি বাউফল’ নামে একটি সৌন্দর্যবর্ধন ও বসার স্থান গড়ে তোলা হবে। সেখানে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অবসর সময় কাটাতে পারবেন।
এ ছাড়া পাঠাগারের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি বহিরাগতদের মূত্রত্যাগ ও অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড বন্ধে চারদিক ঘিরে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, “বাউফলে মানুষের বসার ও অবসর সময় কাটানোর মতো ভালো কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই পাঠাগারটির সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ সুন্দর রাখতে ‘ভালোবাসি বাউফল’ নামে একটি বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। এ কাজ আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে শুরু হবে। এরপরই পাঠাগারটি পাঠকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।”
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাউফল পৌরসভার সচিব, মোঃ মাইনুল ইসলাম,উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান (খাকন), উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক খলিলুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, বাউফল সাধারণ পাঠাগারটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় ভেতরে থাকা বই ও আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পাঠাগারের সামনের অংশ অটোরিকশার স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এবং আশপাশে মূত্রত্যাগের কারণে পরিবেশ দূষিত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরেজমিন পরিদর্শন ও পাঠাগার চালুর উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের প্রত্যাশা, ঘোষিত উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাঠাগারটি আবারও জ্ঞানচর্চার প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more