বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় তরমুজবাহী ট্রাক থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের
অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার আলগী নদীর কালাইয়া বাণিজ্য বন্দরের ধানেরহাট এলাকায় এ অভিযোগ
পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল—চন্দ্রদ্বীপ,
চর ফেডারেশন, চর নিমদী, ধানদী, চর আলগী, রায়সাহেবের চর ও চর ওয়াডেলসহ দুর্গম এলাকা
থেকে তরমুজ ট্রলারযোগে এনে কালাইয়া বন্দরের ধানেরহাট পয়েন্টে ট্রাকে লোড করা হয়। এসব
তরমুজ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী চাষী ও পাইকারদের অভিযোগ, কালাইয়া হাটে তরমুজ বিক্রি
না করলেও খাজনার নামে প্রতি ট্রাক থেকে ৭০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া ট্রলার
নোঙর করানোর নামে আরও ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ইজারাদারের
লোকজনের হয়রানির শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। চন্দ্রদ্বীপ এলাকার তরমুজ চাষী মো. আনসার উদ্দিন বলেন, তেঁতুলিয়া
নদী পাড়ি দিয়ে কালাইয়া পৌঁছানোর পরই খাজনার নামে টাকা দিতে বাধ্য করা হয়। ট্রাক প্রতি
৭০০ টাকা এবং ট্রলার ভেড়ানোর জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। সরেজমিনে সোমবার (২৩ মার্চ) দেখা যায়, দাশপাড়া এলাকার মো. রিপন
নামে এক ব্যক্তি এক চাষীর কাছ থেকে খাজনা বাবদ ৭০০ টাকা এবং ট্রলার নোঙরের জন্য ৩০০
টাকা নিচ্ছেন। তিনি এ অর্থ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ বিষয়ে মো. রিপন জানান, হাটের ইজারাদার মো. ইকবাল মিয়া তাদের খাজনা
উত্তোলনের দায়িত্ব দিয়েছেন। তবে ইজারাদার মো. ইকবাল মিয়া বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত
নন। যদি এটি অবৈধ হয়, তাহলে এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, অভিযোগটি
খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more