অনলাইন ডেক্স: বাংলাদেশের
নারী ফুটবলের জন্য এক মাহেন্দ্রক্ষণ সমাগত। গত বছর ২ জুলাই মিয়ানমারকে তাদেরই মাটিতে
হারিয়ে এএফসি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করে ইতিহাস গড়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
ঋতুপর্ণা, মণিকা, তহুরাদের সেই সাফল্যের পর এবার মূল আসরে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের
পালা। ৩ মার্চ শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের মূল পর্বের
লড়াই। চূড়ান্ত পর্বের
এই কঠিন চ্যালেঞ্জ সামলাতে দীর্ঘ প্রস্তুতি নিয়েছে কোচ পিটার বাটলারের শিষ্যরা। এর
মধ্যে চট্টগ্রামে দীর্ঘমেয়াদি নিবিড় অনুশীলন ক্যাম্প ও নারী ফুটবল লিগের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের
ম্যাচ ফিটনেস যাচাই। গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে অস্ট্রেলিয়ার ভ্যালেন্টিন স্পোর্টস পার্কে
এবং পরবর্তীতে এএফসির অফিশিয়াল মাঠে কন্ডিশনিং ও কৌশলগত অনুশীলন। বাংলাদেশ রয়েছে
টুর্নামেন্টের অন্যতম শক্তিশালী গ্রুপে। আফঈদা খন্দকারদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে এশিয়ার
পরাশক্তিরা। টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন এবং রেকর্ড নয়বারের শিরোপাজয়ী। তিনবারের
এশিয়া জয়ী এবং অন্যতম শক্তিশালী দল। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো চূড়ান্ত পর্বে ওঠা
এই দলটিকে টার্গেট করেই জয়ের ছক কষছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের
বিপক্ষে লড়াই করতে কোচ পিটার বাটলার তাঁর কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন এনেছেন। সাধারণত আক্রমণাত্মক
ফুটবল খেলালেও বড় দলগুলোর বিপক্ষে বল দখলে রাখা এবং রক্ষণ সামলে কাউন্টার অ্যাটাকে
যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। প্রস্তুতি ম্যাচে
আমাদের যে ভুলগুলো ছিল, কোচ সেগুলো নিয়েই কাজ করছেন। আমরা নিজেদের পূর্ণ প্রস্তুত করে
মাঠে নামতে চাই। অধিনায়ক আফঈদা
খন্দকার দেশ ছাড়ার আগেই অন্তত একটি ম্যাচ জেতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। জুবিলি স্টেডিয়ামে
কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে মেয়েরা এখন শুধু ৩ মার্চের সেই ঐতিহাসিক বাঁশির অপেক্ষায়।
We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience.
learn more